মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৭ মে ২০১৫

ইতিহাস

১৯৮৪ সালে সর্বপ্রথম জীবপ্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য একটি প্রকল্প প্রস্তাব সরকারের নিকট পেশ করা হয়। দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় ১৯৯৯ সালের ১২ই মে একটি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি’র কার্যক্রম শুরু হয়। বিগত ২০০০ সালের ১৪ই মে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অত্র প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এর ভিত্তিতে মোট ৩৭০০ বর্গমিটার মেঝায়তন (৬টি গবেষণাগার ২২৫০ বর্গমিটার) বিশিষ্ট ইনস্টিটিউট ভবন ও আনুসঙ্গিক কার্যাদি সম্পাদনের প্রস্তাব ০৮/৫/২০০১ ইং তারিখে অনুমোদন লাভ করে। গত ৩০/৯/০৭ ইং তারিখে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়। বিগত ১৮ মার্চ, ২০১০ তারিখে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি আইন, ২০১০ গেজেটে প্রকাশিত হয় এবং ৫ জুলাই, ২০১০ তারিখে গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারীর মাধ্যমে আইনটি বলবৎ করা হয়।
 
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি জীবপ্রযুক্তি বিষয়ে স্বতন্ত্র গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ইনস্টিটিউটটি সাভারের গণকবাড়ীতে ১১.৫ একর নিজস্ব জায়গার উপর অবস্থিত। প্রায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এটি নির্মিত হয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ৬টি গবেষণাগার, অডিও ভিজুয়্যাল সুবিধাসম্পন্ন সেমিনার কক্ষ, প্রশিক্ষণের জন্য শ্রেণী কক্ষ ইত্যাদি রয়েছে। এছাড়াও গবেষণার জন্য গ্রীণ হাউজ, গ্রোথ হাউজ, এনিমেল হাউজ, এনিমেল সেড, হ্যাচারী, ব্র“ড ও এক্সপেরিমেন্টাল পন্ড, এগ্রিকালচারাল প্লট তৈরী করা হয়েছে। অন্যান্য সুবিধাদি যেমনঃ গেস্ট হাউজ, ক্যান্টিন, মহাপরিচালকের বাংলো, ব্যায়ামাগার, ভিজিটিং সায়েন্টিস্ট ডরমেটরী, অফিসার্স ও স্টাফ কোয়ার্টার সম্বলিত এনআইবি একটি স্বতন্ত্র স্থায়ী ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে উঠেছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ২২ জন বিজ্ঞানীসহ মোট ৬৫ জন কর্মকর্তা/কর্মচারী কর্মরত আছেন। প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের রাজস্ব বাজেটের আওতায় প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হচ্ছে।


Share with :