বাংলাদেশের
ক্রমবর্ধমান
জনগোষ্ঠীর
আমিষের
চাহিদা
পূরণের
প্রধান উৎস
মাছ। এছাড়াও
ভিটামিন ও
খনিজ লবনের
ঘাটতি পূরণেও
মাছের ভূমিকা
গুরুত্বপূর্ণ।
চাহিদার
তুলনায় মাছের
অনেক
প্রজাতিই আজ
হুমকির
সম্মুখীন।
বর্তমানে মিঠাপানির
মাছের ৫৪ টি
প্রজাতি
ঝুঁকিপূর্ণ ও
বিলুপ্তপ্রায়
হিসেবে চিহ্নিত
হয়েছে।
কিন্তু এ
সমস্যা
সমাধানের জন্য
এখনো
পর্যন্ত কোন
ফলপ্রসূ
উদ্যোগ গৃহীত
হয়নি। বিপন্ন
প্রজাতির
মাছগুলি
অধিকাংশই
সুস্বাদু এবং
বাজারে এদের
ব্যাপক
চাহিদা
রয়েছে। কৃত্রিম
প্রজনন
পদ্ধতির
মাধ্যমে এদের
বংশবৃদ্ধি
এবং একই
সংগে
জীনব্যাংক
তৈরী করে
উল্লিখিত
বিলুপ্তপ্রায়
মৎস
প্রজাতিসমূহকে
রক্ষা করা
সম্ভব।
অধিকন্তু
দেশের মৎস্য
সম্পদের
সুষ্ঠু
ব্যবহার, মাছের
কৃত্রিম
প্রজনন, জেনেটিক
ইঞ্জিনিয়ারিং
এর মাধ্যমে
দেশে
বিরাজমান মৎস্য
সম্পদের
উৎপাদন
বৃদ্ধি, রোগ
প্রতিরোধ,
রোগের কারণ
নির্ণয় ও
প্রতিকার,
বিলুপ্তপ্রায়
দেশীয় মৎস্য প্রজাতিসমূহ
সংরক্ষণ ও
উন্নয়নের
মাধ্যমে মাৎস্য
সম্পদের বতৃমান
প্রতিবদ্ধকতা
দূর করা এবং
দেশের বিপুল
জনগোষ্ঠীর
জন্য প্রাণিজ
আমিষের সরবরাহ
নিশ্চিত করার
লক্ষ্যে
এনআইবির
ফিশারিজ
বায়োটেকনোলজি
ডিভিশন
স্থাপন করা
হয়। এর মাধ্যমে
একদিকে যেমন
জলজ পরিবেশের
ভারসাম্য
রক্ষা করা
সম্ভব হবে
অন্যদিকে
দেশের চাহিদা
মিটিয়ে
মূল্যবান
সুস্বাদু
মৎস্যসম্পদ
রপ্তানী করে
বিপুল পরিমাণ
বৈদেশিক
মুদ্রা অর্জন
করা যেতে
পারে।
বাংলাদেশে
বিলুপ্তপ্রায়
ও
হুমকিসম্মুখিন
মৎস প্রজাতির
জিন
রাইব্রেরী
তৈরী করা।
কার্প
এবং অন্যান্য
মাছের
ইনব্রিডিং
লাইন তৈরি করা।
নির্বাচিত
সংকরায়নের
মাধ্যমে
মাছের উন্নত জাত
তৈরী করা।
অউটব্রিডিং
এর মাধ্যমে
বিলুপ্তপ্রায়
মৎস্যসমুহের
টেকসই জাত
উৎপাদন।
মনোসেক্স
মাছ উৎপাদন।
হিমায়নের
মাধ্যমে
মাছের
শুক্রানু ও
ডিম্বানু সংরক্ষন।
মলিকুলার
মার্কারের
মাধ্যমে
মাছের বৈশিষ্ঠ্য
সনাক্ত করন।
জৈবপ্রযুক্তির
মাধ্যমে
উন্নত মানের
মৎস্য খাদ্য
তৈরী করা।
মাৎস্য
সম্পদের
কৃত্রিম
প্রজনন ও
উন্নত জাত তৈরী।
রোগ
ব্যবস্থাপনা।
বিলুপ্তপ্রায়
দেশীয় মৎস্য
প্রজাতিসমূহ
সংরক্ষণ।
বাংলাদেশের
বিলুপ্তপ্রায়
মৎস্য
প্রজাতির সংরক্ষণ।
মৎস্য
হ্যাচারী,
ব্রুড পশু এবং
এক্সপেরিমেন্টাল
পন্ড।
মৎস্য
জিন সমুহ
সনাক্তকরন।
মৎস্য
ডিএনএ
ফিঙ্গারপ্রিন্টিং
এবং মাইক্রোস্যাটেলাইট
ডিএনএ
এনালাইসিস।
ক্যারিওটাইপিং।
পানির
জৈব-রাসয়নিক
বিশ্লেষণ, এবং
ফাইটোপ্লাংকটন
ও জুপ্লাংকটন
বিশ্লেষণ।